হে কবরের পথিক, তুমি কি পারবে মৃত্যু থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে, যদি তুমি নাই বা পারো তবে কেন দুনিয়ার মায়ার পেছনে এত সময় ব্যয় করে চলেছো? যুবক হে, তোমাকে বলছি, আর কত? থামো! আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন, “ঐ ব্যক্তির কথা থেকে উত্তম কথা আর কাহার হইতে পারে, যে মানুষকে আল্লাহ্তা য়ালার দিকে ডাকে; নিজেও নেক আমল করে এবং বলে আমি একজন মুসলানের অন্তর্ভুক্ত।” (সূরা হা-মিম আস-সাজদাহ : ৩৩) দেখো যে ব্যক্তি মানুষকে আল্লাহ্ তায়ালার দিকে দাওয়াত দেয়, পথ ভোলা মানুষকে আল্লাহ্ তায়ালার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, তার মর্যাদা কত বড়, সুবহানআল্লাহ! শুধু তাই নয় এক হাদিসে আছে, “কেউ হেদায়েতের দিকে আহ্বান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে। তবে যারা অনুসরণ করছে তাদের সওয়াবের কোনো কমতি হবে না।” (সহিহ মুসলিমঃ ২৬৭৮) ওহে যুবক বুঝতে পারছো, ব্যাপারটা? ধরো, তুমি কয়েকজনকে দাওয়াত দিলে, এই কয়েকজন আবার আরও কয়েকজন কে দাওয়াত দিল, তারা আবার কয়েকজনকে...... এভাবে চলতে থাকলে কত বিশাল সওয়াবের অধিকারী তুমি হচ্ছো, হিসাবে মিলাইতে পারবা? কত সুন্দর ব্যবসা তাই না! হ্যা, জেনে রেখো আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে এই সব হিসাব কিছুই না, তিনি যাকে চান বে-হিসাবে দান করেন। ব্যস! একটু কষ্ট, একুট মেহনত! অপেক্ষা! তারপর? এমন এক জান্নাত আল্লাহ্ তোমাকে দিবেন যা কোনো চোখ কোনোদিন দেখেনি, কোনো কান কোনোদিন শুনে নি, কোনো অন্তর কোনোদিন কল্পনাও করতে পারেনি, সুবহানআল্লাহ! এত এত নিয়ামত, সেখানে তুমি যা চাবে, তাই পাবে। কাম টু দ্যা পয়েন্ট, যেটা বলতেছিলাম, হ্যাঁ, এখানে প্রতি বৃহস্পতিবার মারকাজে আসার জন্য পরস্পরকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া, দাওয়াহ ও দ্বীনি নসীহত আদান-প্রদান করা এবং দ্বীনি ভাইদের মধ্যে যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্ব সুদৃঢ় করার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
লোড হচ্ছে…
আজগড়া মারকাজ জামে মাসজিদের সাথে সম্পৃক্ত দ্বীনি ভাইদের নিয়ে গঠিত একটি ভ্রাতৃত্বের প্ল্যাটফর্ম — যেখানে স্মরণ, নসীহত ও দাওয়াহর কাজ একসাথে এগিয়ে চলে।
Ajgora Markaj Jame Masjid, আজগড়া, বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ — এই মাসজিদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি দ্বীনি ভাইদের কমিউনিটি, যার লক্ষ্য পারস্পরিক স্মরণ, দাওয়াহ ও ভ্রাতৃত্ব।
আসুন, আমরা একে অপরকে দ্বীনের পথে উৎসাহিত করি, মারকাজের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দাওয়াহ ও দ্বীনের কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখি।
প্রতি বৃহস্পতিবার মারকাজে আসার জন্য পরস্পরকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
দ্বীনি নসীহত ও দাওয়াহর কথা পারস্পরিক আদান-প্রদান করা।
দ্বীনি ভাইদের মধ্যে যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন মজবুত করা।
একে অপরের মাধ্যমে দ্বীনের কাজে সর্বোচ্চ ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করা।
নিচের সময়সূচি প্রাথমিক ধারণার জন্য দেওয়া — মারকাজের প্রকৃত সময় অনুযায়ী এটি পরিবর্তনযোগ্য।
প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার আজগড়া মারকাজে দ্বীনি ভাইদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। WhatsApp গ্রুপে রিমাইন্ডার দেওয়া হয় — যোগ দিতে গ্রুপে জয়েন করুন।
ভাইয়েরা মারকাজে একত্রিত হন, পারস্পরিক কুশল বিনিময় ও সালাম আদান-প্রদান হয়।
আসরের নামাজ এরপর থেকে নিয়ে ঈমান-এক্বিনের কথা আলোচনা হয়, দ্বীনি বিষয়ে নসিহত, মোজাকারা করা হয়।
দাওয়াহর কাজ নিয়ে পরস্পর পরামর্শ ও পরিকল্পনা করা। কে বয়ান করবেন, কে এলান দিবেন, কে তালিম করবেন ইত্যাদি সম্পর্কে।
এখানেই মূলত বৃহস্পতিবারের মূল আমল, যার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে দ্বীনি ভাইয়েরা আসেন ঈমান, আমল, কোরআন, হাদিস, নসিহত, দাওয়াত ইত্যাদি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান ও আলোচনা হয় এবং তাকাজা পেশ করা হয়।
ইশার সালাতের পর হেকায়েতে সাহাবা থেকে প্রায় ৫–১০ মিনিটের সংক্ষিপ্ত কিতাব তা'লীম অনুষ্ঠিত হয়। সাহাবায়ে কেরাম রাযিয়াল্লাহু আনহুমের ঈমান, ত্যাগ ও দ্বীনের জন্য তাঁদের মেহনতের ঘটনা থেকে শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত নসীহত করা হয়।
ইশার তা'লীম ও নসীহতের পর উপস্থিত সকল দ্বীনি ভাইদের জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। একসাথে বসে খাবারের মাধ্যমে পারস্পরিক ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়।
যারা মারকাজে রাতে থাকতে চান তারা নিজ নিজ বেডিং নিয়ে এসে মারকাজ মাসজিদে থাকতে পারেন কিংবা চলে যেতেও পারেন। সাধারণত থাকার জন্য উৎসাহিত করা হয়। জুম্মার রাত খুবই বরকতময়।
ফজরের নামাজ জামাতের সাথে বলার পর অল্প কিছুক্ষণ দ্বীনি আলোচনা হয় । অতঃপর যে যার বাসায় চলে যেতে পারেন, ইনশাআল্লাহ।
প্রতিটি উদ্দেশ্যই একে অপরের সাথে সম্পর্কিত — একটি ঐক্যবদ্ধ, দ্বীনদার কমিউনিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে।
মারকাজে আসার জন্য পরস্পরকে সময়মতো স্মরণ করিয়ে দেওয়া।
দ্বীনি জ্ঞান, নসীহত ও দাওয়াহর কথা আদান-প্রদান করা।
দ্বীনি ভাইদের মাঝে যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করা।
একে অপরের মাধ্যমে দ্বীনের কাজে সর্বোচ্চ ফায়দা হাসিল করা।
সরাসরি লাইভ হিসাব — University of Islamic Sciences, Karachi পদ্ধতি অনুসারে।
এই সময়গুলোতে (নফল) নামাজ পড়া নিষিদ্ধ — তবে চলতি দিনের আসর, সূর্যাস্তের সময় পর্যন্ত এর ব্যতিক্রম।
সময়সূচি জ্যোতির্বিজ্ঞান হিসাবের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা করা হয় (পদ্ধতি: University of Islamic Sciences, Karachi)। নিষিদ্ধ সময় ও নফল সময়ের সীমা স্থানীয় ফতোয়া অনুযায়ী সামান্য ভিন্ন হতে পারে — নির্ভুল তথ্যের জন্য স্থানীয় আলেমদের সাথে যোগাযোগ করুন।
কিবলা দিক নির্ণয়, তাসবিহ গণনা ও হিজরি ক্যালেন্ডার — More Coming Soon, insha'Allah।
বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ থেকে কাবা শরীফের দিক — ডিভাইস ঘোরালে তীরটি কিবলার দিকে নির্দেশ করবে।
কম্পাস চালু করতে উপরের বাটনে চাপুন — মোবাইল ডিভাইসে সবচেয়ে ভালো কাজ করে।
ডিজিটাল তাসবিহ। আপনার ডিভাইসেই সংরক্ষিত থাকবে। “যারা ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে যাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়; জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণেই চিত্ত প্রশান্ত হয়।” - Surah Ar-Ra'd (13:28)
গ্রেগরিয়ান তারিখের সাথে হিজরি তারিখ পাশাপাশি — সরাসরি লাইভ API থেকে।
পর্দার আড়ালে রয়েছেন কিছু নিবেদিতপ্রাণ দ্বীনি ভাই, যারা নিজেদের সময় ও শ্রম দিয়ে মারকাজের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁদের এই খিদমত কবুল করুন।
ছবি গ্যালারি — ক্লিক করে বড় করে দেখুন।
মারকাজের নিয়মিত ও বিশেষ তাকাজা এবং প্রোগ্রামের তালিকা।
দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ নিয়ে প্রকাশিত লেখা, বয়ান ও নসীহতের একটি সংরক্ষিত সংগ্রহশালা। জ্ঞান অর্জন, আত্মশুদ্ধি ও দ্বীনি জীবনে অনুপ্রেরণা লাভের উদ্দেশ্যে এই আর্কাইভ সবার জন্য উন্মুক্ত।
اللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنَّا
"আল্লাহুম্মা তাক্বাব্বাল মিন্না"
হে আল্লাহ, আমাদের এই প্রচেষ্টা তুমি কবুল করে নাও। আমরা একে অপরকে দ্বীনের পথে উৎসাহিত করার, মারকাজের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখার এবং তোমার সন্তুষ্টির জন্য দাওয়াহ ও দ্বীনের কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখার তাওফিক প্রার্থনা করছি। আমীন।
মারকাজ সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে নিচের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।
আজগড়া মারকাজ জামে মাসজিদ, আজগড়া, বেলকুচি উপজেলা, সিরাজগঞ্জ জেলা
+8801973046104 (Call/WhatsApp)
প্রতি বৃহস্পতিবার — সময়সূচি জানতে "সাপ্তাহিক প্রোগ্রাম" অংশ দেখুন।
নিচের ফর্ম পূরণ করে সরাসরি ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন, ইনশাআল্লাহ।